ইউরোপের কোন কোন দেশের ভিসা চালু আছে ২০২৬ (আজকের আপডেট)
ইউরোপ যেতে চাচ্ছেন কিন্তু ইউরোপের কোন কোন দেশের ভিসা চালু আছে জানেন না? ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ভিসা আপডেট জানতে পারবেন এই পোস্টে।
ইউরোপের দেশগুলোতে কাজের বেতন বেশি হওয়ার কারণে অনেকেই ইউরোপ যেতে চান। কিন্তু, অনেক সময় বিভিন্ন দেশের ভিসা বন্ধ থাকে। ফলে, সেসব দেশ যেতে চাইলেও ভিসা আবেদন করা সম্ভব হয়না। তবে, আপনি যদি ইউরোপ যেতে চান, তবে কোন কোন দেশের ভিসা চালু আছে জানতে শেষ অব্দি পড়ুন।
এই পোস্টের বিষয়বস্তু
ইউরোপের কোন কোন দেশের ভিসা চালু আছে ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে কাজের ভিসা নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাওয়া যায়। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কাজের ভিসায় ইউরোপের অনেক দেশে যাওয়া যাচ্ছে। ইউরোপের মাঝে ইতালি, জার্মানি, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, মাল্টা, সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ইত্যাদি দেশের ভিসা চালু আছে।
ইউরোপের অধিকাংশ দেশের ভিসাই বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য খোলা আছে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচের কিছু দেশের ভিসা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বন্ধ করে দেয়া হলেও ইউরোপের কোনো দেশ থেকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা বন্ধ করে দেয়া হয়নি।
তাই, আপনি যদি ইউরোপের কোনো দেশে যেতে চান, তবে বিশ্বস্ত ভিসা এজেন্সির মাধ্যমে কিংবা বাংলাদেশের সরকারি সংস্থা বোয়েসেলের মাধ্যমে ভিসা আবেদন করতে পারেন। ইউরোপের যেসব দেশের ভিসা বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য চালু আছে, সেগুলোর তালিকা নিচে দেয়া হয়েছে।
| দেশের নাম | ভিসা চালু আছে কিনা | কাজের প্রধান খাতসমূহ |
|---|---|---|
| রোমানিয়া | চালু আছে। | কন্সট্রাকশন, ফ্যাক্টরি, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট, ডেলিভারি এবং কৃষি। |
| ক্রোয়েশিয়া | চালু আছে। | নির্মাণ শিল্প, ড্রাইভিং, হোটেল, ট্যুরিজম সেবা এবং ডেলিভারি ম্যান। |
| বুলগেরিয়া | চালু আছে। | গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল, ফ্যাক্টরি কর্মী এবং নির্মাণ কাজ। |
| ইতালি | চালু আছে। | কৃষি, হোটেল ও ট্যুরিজম, নির্মাণ শিল্প এবং কেয়ারগিভার। |
| পর্তুগাল | চালু আছে। | কৃষি, নির্মাণ খাত, ডেলিভারি, হোটেল ও সার্ভিস সেক্টর। |
| হাঙ্গেরি | চালু আছে। | ফ্যাক্টরি ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল কর্মী, ফুড প্রসেসিং এবং ড্রাইভিং। |
| জার্মানি | চালু আছে। | আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, হেলথকেয়ার/নার্সিং এবং কারিগরি কাজ। |
| যুক্তরাজ্য (UK) | চালু আছে। | কেয়ারগিভার, আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সিজনাল কৃষি কর্মী। |
| মাল্টা | চালু আছে। | হোটেল ও রেস্টুরেন্ট (শেফ, ওয়েটার), ডেলিভারি ড্রাইভার এবং ক্লিনিং। |
| পোল্যান্ড | চালু আছে। | ফ্যাক্টরি, ফুড প্রসেসিং ও লজিস্টিকস। |
| লিথুয়ানিয়া | চালু আছে। | নির্মাণ কাজ, ওয়েল্ডিং, ভারী যানবাহন চালক এবং লজিস্টিকস। |
| সার্বিয়া | চালু আছে। | কনস্ট্রাকশন এবং বিভিন্ন সাধারণ কারিগরি কাজ। |
| গ্রিস | চালু আছে। | কৃষি ও মৎস্য চাষ। |
| ফ্রান্স ও স্পেন | চালু আছে। | সিজনাল কৃষি কাজ এবং উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিশেষায়িত পেশা। |
এছাড়াও পড়ুন —
- ইউরোপের কোন দেশে যেতে কত টাকা লাগে
- ইউরোপের সেনজেন ও নন সেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকা
- ইউরোপের কোন দেশে বেতন বেশি
ইউরোপের কোন কোন দেশের ভিসা সহজে পাওয়া যায়
ইউরোপের দেশগুলোতে কাজের চাহিদার উপর নির্ভর করে কোন দেশে ভিসা সহজে পাওয়া যাবে। সাধারণত যেসব দেশে কাজের চাহিদা বেশি থাকে, সেসব দেশে আবেদন করলে দ্রুত ভিসা পাওয়া যায়। তাই ইউরোপের যেসব দেশে কাজের চাহিদা বেশি এবং আবেদন করলে দ্রুত ভিসা পাওয়া যায়, সেসব দেশের তালিকা নিচে দেয়া হয়েছে।
- রোমানিয়া
- লিথুনিয়া
- ক্রোয়েশিয়া
- পর্তুগাল
- জার্মানি
- এস্তোনিয়া
সাধারণত এসব দেশের ভিসা আবেদন করলে ১ সপ্তাহ থেকে ৪ সপ্তাহ কিংবা তারও কম সময় লাগে ভিসা তৈরি হতে। কোনো কাজের দক্ষতা ছাড়া বা সাধারণ কর্মী হিসেবে ভিসা আবেদন করলে রোমানিয়া, লিথুনিয়া এবং ক্রোয়েশিয়ার ভিসা সহজে পাওয়া যায়। আবার, দক্ষ কর্মী হিসেবে ভিসা আবেদন করলে পর্তুগাল, জার্মানি এবং এস্তোনিয়ার ভিসা সহজে পাওয়া যায়।
শেষ কথা
ইউরোপের কোন কোন দেশের ভিসা চালু আছে এবং ইউরোপের কোন কোন দেশের ভিসা সবথেকে সহজে পাওয়া যায় সেসব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এই পোস্টে। যারা ইউরোপ যেতে চাচ্ছেন কিন্তু ভিসা আপডেট জানেন না তারা শুরু থেকে শেষ অব্দি পড়ুন।
এছাড়া, ইউরোপের ভিসা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর নিচে দেয়া হয়েছে। এখানে আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর পাবেন।
বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর
২০২৬ সালে ইউরোপের কোন কোন দেশের ভিসা চালু হবে?
২০২৬ সালে ইউরোপের প্রায় সকল দেশের ভিসা চালু আছে। ইউরোপের কোনো দেশের ভিসা এখনো বন্ধ হয়নি। কাজের চাহিদা কম থাকার কারণে কিছু দেশ থেকে ভিসা কম দেয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ থেকে কোন কোন ইউরোপের ভিসা পাওয়া যায়?
বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের প্রায় সকল দেশের ভিসা নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে, ওয়ার্ক পারমিট নিতে হবে। কাজের দক্ষতা থাকলে সহজেই ওয়ার্ক পারমিট নেয়া যায়। জার্মানি, রোমানিয়া, ইতালি, এস্তোনিয়া, পোল্যান্ড, পর্তুগাল সহ বিভিন্ন দেশের ভিসা পাওয়া যাচ্ছে।
ইউরোপের কোন দেশে নাগরিকত্ব পাওয়া সবচেয়ে সহজ?
ইউরোপের মাঝে পর্তুগালে সবথেকে কম সময়ের মাঝে নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। পর্তুগাল যাওয়ার পর মাত্র ৫ বছর থাকলে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করা যায়।





আমি আপনার সাথে যোগাযোগ করতে চাই। আমার ইনফরমেশন দিলাম, প্লিজ যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।
নাম: মুশফিক
আপনার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে।